.

পঞ্চাশ বছর পর পানি থাকবে না যে দেশে

সিলেট টাইমস ডেস্কঃ মানুষ অনেক কিছু ছাড়া বাঁচতে পারে কিন্তু পানি ছাড়া বাঁ'চা মোটেই সম্ভব না। বিশ্বজুড়ে জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে গরমের তীব্রতা বাড়ছেই। একই সঙ্গে কমে যাচ্ছে বৃষ্টিপাত।জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে মধ্যপাচ্যের দেশ জর্ডানে পরিবেশের বিরুপ প্রভাব লক্ষ করা গেছে। দেশটিতে ক্রমেই ফুরিয়ে যাচ্ছে পানি!

জর্দানের সব পানি কি ফুরিয়ে যাচ্ছে?

প্রতি বছর ডেড সি-তে পানির স্তর এক মিটার করে কমছে। যে জর্দান নদী দিয়ে এখানে পানি আসে, সেটি প্রায় শুকিয়ে গেছে। ডেড সি-তে আসার আগেই এর সব পানি তুলে নেয়া হচ্ছে। জলবায়ুর পরিবর্তনের ধাক্কা সবচেয়ে বেশি লেগেছে গ্রামাঞ্চলে।মোহাম্ম'দ ঘারেব নামের এক কৃষক জানান, আগের অবস্থা নেই। এখন বর্ষাকাল দু’ মাসের বেশি থাকেনা। যদি আমি কৃষিকাজ ছেড়ে দিতে পারতাম তাহলে তাই করতাম।

এরই মধ্যে বহু মানুষ তাদের গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে গেছে। জর্দানে আশ্রয় নিয়েছে বিপুল সংখ্যক শরণার্থী।মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন যু'দ্ধকবলিত দেশ থেকে জর্দানে এখন অনেক বেশি মানুষ, কিন্তু দেশটিতে পানির স্বল্পতা ব্যাপক। এর জন্য দেশটির সরকার মাটির নিচ থেকে ভূগর্ভে পানির স্তরে জমে থাকা পানি তুলছে।বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূগর্ভের পানি দিয়ে বড়জো'র ৫০ বছর চলবে। এরপর আরো গভীরে যেতে হবে।জর্দানে একটি বাড়িতে সপ্তাহে গড়ে পানি থাকে মাত্র ১২ থেকে ২৪ ঘন্টা। দ্রুত পানি তুলেও সংকট মোকাবেলা করা যাচ্ছেনা।

সরকার অবস্থা মোবাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে এবং সেজন্য বর্জ্য পানি ও সাগরের পানিকে লবণমুক্ত করার কথা ভাবছে।কিন্তু এসব পরিকল্পনার জন্য লাগবে বিপুল অর্থ এবং জ্বালানি।এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা রশকা তায়েম বলেন, ভেবে দেখু'ন আপনি বাইরে থেকে আসলেন আর যখনই গোছল করতে যাবেন বা পানি পান করতে চাইবেন আর দেখবেন কোনো পানি নেই, তখন বিষয়টা কেমন লাগবে? এখানে এক বিন্দু পানি অ'পচয় মানে আগামী প্রজন্ম জন্য পানির একটি ফোঁটা কমে যাওয়া।

সূত্রঃ বাংলাদেশ জার্নাল

Back to top button