ডুবে যাওয়া সেই লঞ্চটি পরিচালিত হচ্ছিল মাস্টার ছাড়াই!

সিলেট টাইমস ডেস্কঃবুড়িগঙ্গা নদীতে সোমবার সকালে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি ম'র্নিং বার্ড লঞ্চটিতে সার্ভে সনদে একজন করে দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার ও ড্রাইভা'র থাকলেও দীর্ঘদিন থেকে অ'ভিজ্ঞ মাস্টার ও ড্রাইভা'র ছাড়াই লঞ্চটির অ'পারেশন পরিচালিত হচ্ছিল। সার্ভে সনদ ও ফিটনেস নেওয়ার সময় নৌ অধিদফতরে জমা দেওয়া কাগজে কলমে একজন দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার ও একজন ড্রাইভা'র দেখানো হলেও বাস্তবে ওই লঞ্চে কোনো মাস্টার ড্রাইভা'র কর্ম'রত ছিল না। বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, অনেক ছোট লঞ্চ মাস্টার ড্রাইভা'র ছাড়া দীর্ঘদিন পরিচালিত হচ্ছে। আমি দীর্ঘদিন থেকে বন্দর কর্মক'র্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক করে আসছি। এমন দুর্ঘ'টনার দায়ভা'র কোনোভাবেই তারা এড়িয়ে যেতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মাস্টার বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এমভি ম'র্নিং বার্ড লঞ্চটি অ'ভিজ্ঞ মাস্টার ও ড্রাইভা'রের পরিবর্তে একজন সুকানী দিয়ে অ'পারেশন পরিচালনা করছিল। অ'ভিজ্ঞ মাস্টার ড্রাইভা'রের বেতন বেশি হওয়ায় তাদের রাখতে অনীহা ছিল মালিক পক্ষের। এজন্যই লঞ্চটি দুর্ঘনায় পড়েছে বলে জানান তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী নয়ন, হাবিবসহ কয়েকজন বলেন, পোস্তগো'লা ব্রিজের পর থেকে লঞ্চ দুইটি পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে চলছিল। ওই সময় কেউই কাউকে সতর্ক করেনি। পাল্লা দিয়ে চলার এক পর্যায়ে ছোট লঞ্চটি বড় লঞ্চটির কাছে চলে এসে প্রচণ্ড জো'রে এসে ধাক্কা খেয়ে উপুড় হয়ে মুহূর্তে তলিয়ে যায়।এদিকে ঘটনার পরেই এমভি ময়ূর-২ লঞ্চের মাস্টারসহ সব স্টাফ পলাতক রয়েছে। পু'লিশ একাধিকবার লঞ্চটিতে তল্লা'শি চালিয়েও কাউকে আ'ট'ক করতে পারেনি। নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমোডর আরিফুর রহমান বলেন, লঞ্চটির সার্ভে রেজিস্ট্রেশনে একজন দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার ও একজন ড্রাইভা'রের কথা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কর্ম'রত রয়েছে কিনা তা আমা'র জানা নেই। তবে দুর্ঘ'টনার কারণ নির্ণয় করতে একটি ত'দন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দায়ীদের বি'রুদ্ধে অবশ্যই শা'স্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

Back to top button
.