সবাইকে ১০দিন বাসায় থাকার অনুরোধ সুনামগঞ্জের ডিসির

সিলেট টাইমস ডেস্কঃসুনামগঞ্জের জে'লা প্রশাসক মোহাম্ম'দ আব্দুল আহাদ বলেছেন, করো'না ভাই'রাস প্রতিরোধে আমাদের সকালের সচেতন হওয়া জরুরী।সরকার সকলকে ১০দিনের ছুটি দিয়েছে সেটি ঘুরতে যাওয়ার জন্য নয়, ঘরের থাকার জন্যে। আপনারা সবাই নিজ নিজ ঘরে থাকুন দেশ ও সকলের নিরাপত্তার জন্য সকলের আমা'র অনুরোধ।মঙ্গলবার (২৪ মা'র্চ) বিকেলে জে'লা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে করো'না ভাই'রাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আহম'দ কাউসারের সাথে ভিডিও কনফারেন্স শেষে উপস্থিত সকলকে এ নির্দেশনা প্রদান করে তিনি।আব্দুল আহাদ আরোও বলেন, ‘ইতোমধ্যে সুনামগঞ্জে আসা প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে আসা হয়েছে। যাদের হোম কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে তারাও যেনো বাইরে বের হয়ে না যান। আপনারা বাসায় থাকুন। করো'না ভাই'রাস প্রতিরোধে আমাদের সকলের সচেতনার মাধ্যমে করো'না ভাই'রাস প্রতিরোধ সম্ভব।’

করো'নাভাই'রাস প্রতিরোধে গণপরিবহনের বিষয়ে জে'লা প্রশাসক বলেন, সভায় বাস মালিক সমিতির সভাপতি উপস্থিত রয়েছেন, আমি তাকে বলে দিচ্ছি আপনারা আজকে থেকে সকল প্রকার গণপরিবহন চলাচলে বাস সীমিত করুন। যতো সীমিত আকারে পরিবহন চলাচল করবে করো'নার ঝুঁ'কি কম হবে। তাছাড়া মোটর সাইকেল সিএনজি ইত্যাদি চলাচলেও সীমিত করতে হবে। অযথা রাস্তায় ঘুরাঘুরি বন্ধে মোটর সাইকেল চালকদের সতর্ক থাকতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পু'লিশ সুপার মিজানুর রহমান, জে'লা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যরিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, সুনামগঞ্জ পৌরসভা'র মেয়র নাদের বখত, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক এম'রান হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. শাসম উদ্দিন, অ'তিরিক্ত জে'লা প্রশাসক মো. শরিফুল ইস'লাম, দৈনিক সুনামকণ্ঠের সম্পাদক বিজন সেন রায়, সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজু প্রমুখ।দোকানপাট খোলা রাখার বিষয়ে জে'লা প্রশাসক মোহাম্ম'দ আব্দুল আহাদ বলেন, হাটবাজারগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তাছাড়া জরুরী নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও ওষধের দোকান ছাড়া যে কোন প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যায় ৭ মধ্যে লাগিয়ে নিতে হবে। যেসকল দোকানমালিক তাদের দোকানপাট খোলা রাখার জন্য বিভিন্ন পণ্যের দোকানকে সবজি পেঁয়াজ রেখে খোলা রাখছেন তাদেরকে কোন রকমের সুযোগ দেওয়া হবে না। তাছাড়া সকল চায়ের দোকান বন্ধ রাখতে হবে।

করো'না ভাই'রাসেআ ক্রান্ত রোগীদের সিলেট বা ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জে'লা প্রশাসক বলেন, যেহেতু আমাদের সুনামগঞ্জে এখনো কোন করো'না রোগী পাওয়া যায়নি সেক্ষেত্রে আমাদের এখন থেকেই করো'না ভাই'রাসেআ ক্রান্ত রোগীদের সিলেটে বা ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবহন প্রস্তুত রাখতে হবে। যদি কোন করো'না রোগীআ ক্রান্ত হয় তাহলে তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য হেলিকাপ্টার প্রয়োজন হতে পারে, তাছাড়া সকল সরকারি ও বেসরকারি অম্বুল্যান্সগুলোও করো'না রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য সকল রকমের প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে।

মোহাম্ম'দ আব্দুল আহাদ বলেন, সরকার সকলকে ২৬ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়ার কারণ হচ্ছে প্রত্যেক পরিবারকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার। তাছাড়া জে'লা উপজে'লার কোন সরকারি কর্মক'র্তা তার কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। আমাদের জরুরী নাম্বারগুলো সার্বক্ষনিক খোলা থাকবে।

Back to top button
.